ঢাকা, ৬ নভেম্বর ২০২৫ – যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) বাংলাদেশের আগামী ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য করার লক্ষ্যে প্রাক্-নির্বাচনী পরিবেশ মূল্যায়ন করে আট দফা সুপারিশ দিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন; তবু প্রাক্-নির্বাচনী পরিবেশ এখনও নাজুক। রাজনৈতিক সহিংসতার কিছু ঘটনা, স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি জনমনে অবিশ্বাস রয়ে গেছে। জন আস্থা বজায় রাখতে ধারাবাহিক সংলাপ এবং রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অপরিহার্য।
আইআরআই’র মূল্যায়ন মিশন ২০-২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করে, যেখানে নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ২১টি বৈঠকে ৫৯ জন অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
-
তরুণ নেতৃত্বাধীন দলের আবির্ভাব ও প্রবাসী ভোটারের প্রথমবারের মতো ব্যাপক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
-
প্রার্থী মনোনয়নে স্বচ্ছতার অভাব, নারীর অপ্রতুল অংশগ্রহণ এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীর অসহিষ্ণু বক্তব্য দেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক ভিত্তিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
-
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক চর্চা ছাত্র আন্দোলন থেকে উদ্ভূত মূল্যবোধগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় কিনা, তা বাংলাদেশের রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
তরুণ নেতৃত্বাধীন দলের আবির্ভাব ও প্রবাসী ভোটারের প্রথমবারের মতো ব্যাপক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রার্থী মনোনয়নে স্বচ্ছতার অভাব, নারীর অপ্রতুল অংশগ্রহণ এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীর অসহিষ্ণু বক্তব্য দেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক ভিত্তিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক চর্চা ছাত্র আন্দোলন থেকে উদ্ভূত মূল্যবোধগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় কিনা, তা বাংলাদেশের রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
আইআরআই’র আট দফা সুপারিশ
-
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: সময়সীমা নির্ধারণ, বিতর্কিত বিষয় সমাধান এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করা।
-
স্বচ্ছ প্রার্থী মনোনয়ন: রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করা এবং সহিংসতা প্রতিরোধ।
-
নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ: নেতৃত্ব বিকাশ, মনোনয়ন এবং সংরক্ষিত আসনের বাইরে অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা।
-
নিরাপত্তা সমন্বয়: সেনাবাহিনী ও পুলিশকে সমন্বয় বাড়িয়ে ভোটে সহিংসতা প্রতিরোধ।
-
নাগরিক পর্যবেক্ষণ: স্বীকৃত পর্যবেক্ষক সংস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
-
রাজনৈতিক অর্থায়নে স্বচ্ছতা: তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয় তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা।
-
নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশ: গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও চাপমুক্ত রাখা।
-
ভোটার সচেতনতা: নাগরিক, নতুন ভোটার, তরুণ, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য শিক্ষামূলক উদ্যোগ।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: সময়সীমা নির্ধারণ, বিতর্কিত বিষয় সমাধান এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করা।
স্বচ্ছ প্রার্থী মনোনয়ন: রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করা এবং সহিংসতা প্রতিরোধ।
নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ: নেতৃত্ব বিকাশ, মনোনয়ন এবং সংরক্ষিত আসনের বাইরে অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা।
নিরাপত্তা সমন্বয়: সেনাবাহিনী ও পুলিশকে সমন্বয় বাড়িয়ে ভোটে সহিংসতা প্রতিরোধ।
নাগরিক পর্যবেক্ষণ: স্বীকৃত পর্যবেক্ষক সংস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক অর্থায়নে স্বচ্ছতা: তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয় তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা।
নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশ: গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও চাপমুক্ত রাখা।
ভোটার সচেতনতা: নাগরিক, নতুন ভোটার, তরুণ, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য শিক্ষামূলক উদ্যোগ।
আইআরআই মনে করছে, এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন হলে আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হবে এবং গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করবে।
