
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব পুলিশ সদস্যকে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বুধবার রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে নভেম্বর-২০২৫ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন। ডিএমপির সদ্য যোগদানকৃত থানার অফিসার ইনচার্জদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নতুন ওসিদের থানা এলাকার অপরাধ চিত্র ও পরিস্থিতি ভালোভাবে বোঝা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভ্যাসগত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার বিপিএম-সেবা (অতিরিক্ত আইজি) নির্দেশ দেন, প্রত্যেক থানায় টহল কার্যক্রম জোরদার করতে হবে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করা হবে এবং সরকারি মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, নতুন ডিসি ও ওসিদের নিজস্ব ক্রাইম প্যাটার্ন অনুযায়ী কাজ করতে হবে, মামলা নিষ্পত্তি ও ওয়ারেন্ট তামিলে দায়িত্বশীল হতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরিচিত ও গৃহকর্মীদের নিয়োগে পরিচয়পত্র যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া আসন্ন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন নভেম্বর-২০২৫ মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি যেমন ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলার পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন। ডিএমপি কমিশনার উপস্থিত কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, ডিএমপির সব থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা।