কক্সবাজারের টেকনাফ ও নোয়াখালীর হাতিয়ায় পৃথক অভিযানে নৌপথে মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও ডাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় দুইটি ট্রলার ও দুইটি ফিশিং বোটসহ ৩৩ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, বুধবার গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট বি. এন. শাকিব মেহবুব জানান, বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে ছেঁড়াদিয়া সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় মিয়ানমারের উদ্দেশে যাত্রারত দুটি ট্রলার আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ৬৫০ বস্তা সিমেন্ট ও ৬০০ বস্তা মটর ডাল জব্দ করা হয়। আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ টাকার বেশি। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ট্রলারে থাকা ২২ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
অন্যদিকে, নোয়াখালীর হাতিয়া স্টেশনের কোস্টগার্ড সদস্যরা বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে দুটি ফিশিং বোট আটক করেন। বোটগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪৫ বস্তা সিমেন্ট জব্দ ও ১১ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সিয়াম উল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। বেশ কিছুদিন ধরে একটি চক্র মেঘনা নদীপথে সিমেন্ট ও সার পাচার করে মিয়ানমারে পাঠাচ্ছিল। আটক ব্যক্তিদের হাতিয়া থানায় সোপর্দ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কোস্টগার্ডের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, পাচারকারীরা সিমেন্ট ও ডাল পাচারের বিপরীতে মিয়ানমার থেকে মাদক এনে দেশে বিক্রির পরিকল্পনা করেছিল।
মন্তব্য করুন