অধস্তন আদালতের প্রায় এক হাজার বিচারককে পদোন্নতির প্যানেলভুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সিনিয়র সহকারী জজ থেকে যুগ্ম জেলা জজ, যুগ্ম জেলা জজ থেকে অতিরিক্ত জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ থেকে জেলা জজ—এই তিন স্তরে পদোন্নতির প্যানেলভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের ফুল কোর্ট সভায় মঙ্গলবার বিকেলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সভাপতিত্বে বিকেল তিনটা থেকে পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত সভাটি সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
সভা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ থেকে জেলা ও দায়রা জজ পদে ৩৪৫ জনের প্রস্তাব আসে, যার মধ্যে ২৬৫ জনের পদোন্নতি প্যানেল অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ থেকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজ থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদে আরও সাত শতাধিক বিচারককে পদোন্নতির প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৭-এর সাবেক বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের বিষয়টিও সভায় আলোচনায় ওঠে। জানা গেছে, তাঁর বিচারিক ক্ষমতা প্রশাসনিক আদেশে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে রিভিউয়ের মাধ্যমে স্থগিত হয়। বিষয়টি এখন প্রশাসনিক দিক বিবেচনায় সুপ্রিম কোর্টের জিএ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে, যা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
উল্লেখ্য, আলোচিত রেইনট্রি হোটেল ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার, যেখানে তিনি পুলিশের প্রতি ৭২ ঘণ্টার পর ধর্ষণ মামলা না নেওয়ার নির্দেশনা দেন। এ মন্তব্যের পর তাঁর বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ করে তাঁকে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন