সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি জানিয়েছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে উপস্থাপন করে বাংলাদেশে ফেরানোর জন্য একটি নীলনকশা প্রণয়ণ করেছে। তিনি বলেছেন, ভারত এই প্রচেষ্টায় তাদের সব কানেকশন ও সম্পদ ব্যবহার করছে।
রনির ভাষ্য, ‘রয়টার্স, ইন্ডিপেনডেন্ট ও এএফপি-সহ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারের জন্য ভারত বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে তাকে সহযোগিতা করেছে।’
ভারতের অবস্থান গত এক বছরে পরিবর্তন হয়েছে। শুরুতে শেখ হাসিনাকে সীমিত যোগাযোগের মধ্যে রাখা হলেও, বর্তমানে নরেন্দ্র মোদী সরকার তাকে সহযোগিতা প্রদান করছে। রনি বলেন, ভারতের থিংকট্যাংকরা পর্যবেক্ষণ করছে, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ ও রাজনীতিবিদরা কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন এবং শেখ হাসিনা পরিস্থিতি কিভাবে পরিচালনা করছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ভারত বুঝেছে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই এবং আওয়ামী লীগের মধ্যেও শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। গত ১৪ মাসে নেতিবাচক প্রচারণা ক্রমশ কমে এখন পরিস্থিতি পজিটিভে পৌঁছেছে।’
রনির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের এই নীলনকশার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। আমেরিকা থেকে সজীব জয় তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। এছাড়া, দিল্লিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিয়মিত আন্তর্জাতিক সফরে গিয়ে সাক্ষাৎ করছেন। শেখ হাসিনা নিজস্ব মোবাইল এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।
রনি জানান, আসন্ন কয়েক মাসে শেখ হাসিনা আরও একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন, যা দেশের রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।