রাজশাহীর বাগমারায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাওসিফ রহমান রিহান শ্রুতলেখক নেওয়ার অনুমতি না পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। ভবানীগঞ্জ কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় শ্রুতলেখক তামিম হোসেনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
তাওসিফের মা দিলরুবা আফরোজ অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রের সচিবের মাধ্যমে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম, তারপরও অনুমতি মেলেনি।” কেন্দ্রে প্রবেশে ব্যর্থ হয়ে তাওসিফ কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে আসে।
ভবানীগঞ্জ কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান বলেন, “শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা পরীক্ষার্থীর পক্ষ থেকে অনুমতি দিতে হয়। অনুমতি না আসায় শ্রুতলেখকের সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ হয়নি।”
পরীক্ষার পর তাওসিফ নিশ্চুপ বসে ছিলেন এবং প্রশ্ন করলে কাঁদতে থাকেন। তার বাবা তৌহিদুর রহমান জানান, “পরীক্ষা দিতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।”
যদি চান, আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত স্লোগান-ধরনের হেডলাইনসহ ভার্সন-এও রূপান্তর করতে পারি, যা নিউজ পোর্টালে ব্যবহারযোগ্য হবে।
আপনি কি সেটা চাইবেন?
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ